নিজস্ব প্রতিবেদন : রাজনৈতিক অঙ্গনে এই মুহূর্তে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটে চলেছে। পার্লামেন্টের মনসুন সেশন ২৫ দিন ধরে স্থগিত, তরুণদের নেতৃত্বাধীন Cockroach Janata Party (CJP)-এর উত্থান, এবং সাম্প্রতিক উপনির্বাচনে BJP-র পরাজয়—এই সবকিছু মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে, ১২ বছর পর মোদি সরকার কি তবে চাপের মুখে?
কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশের অভিযোগ, সংসদের মনসুন সেশন "ভেন্টিলেটরে" রাখা হয়েছে কারণ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সীমানা পুনর্নির্ধারণ বিল পাস করার জন্য লোকসভায় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যা খুঁজছেন। ২০২৬ সালের বাজেট সেশনে এই সাংবিধানিক সংশোধনী বিল ২৯৮-২৩০ ভোটে পরাজিত হয়। দুই-তৃতীয়াংশের জন্য প্রয়োজন ছিল ৩৫২ ভোট।
অন্যদিকে NEET অনিয়মের প্রতিবাদ থেকে জন্ম নেওয়া CJP এখন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে। ৭ সপ্তাহের আন্দোলনের পর প্রধানমন্ত্রী মোদি ইনস্টাগ্রাম রিলের মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানান। তবে সমালোচকদের মতে, একইসাথে হাজার হাজার protester-এর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
বিহারের বাঁকিপুর উপনির্বাচনে পরাজয় এবং দলীয় মিত্রদের মধ্যে কোটা নিয়ে বিবাদ BJP-র জন্য বড় ধাক্কা। পাঞ্জাবে দলিত সম্প্রদায়ের গুলজার সিংয়ের আত্মহত্যার ঘটনায় কংগ্রেস ও AAP মুখোমুখি হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, CJP-র উত্থান দেখিয়েছে BJP-র প্রচলিত যোগাযোগ কৌশল সেকেলে হয়ে পড়েছে। শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ CJP-র সবচেয়ে বড় সাফল্য, যা প্রমাণ করে সংগঠিত তরুণ শক্তি সরকারকে সিদ্ধান্ত পরিবর্তনে বাধ্য করতে পারে।
ভারতীয় রাজনীতি এই মুহূর্তে এক গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে দাঁড়িয়ে আছে। প্রশ্ন হলো—মোদি সরকার এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারবে, নাকি ভারতীয় রাজনীতিতে নতুন যুগের সূচনা হবে?