নিজস্ব সংবাদদাতা: মধ্যপ্রদেশে ইন্দোর-আম্বেদকরনগর ডেমু ট্রেনকে ঘিরে একটি অভিযোগ সামনে এসেছে। অভিযোগ, নির্ধারিত স্টেশনের বাইরে কিছু সময়ের জন্য ট্রেন থামিয়ে ব্যক্তিগত কাজে যান লোকো পাইলট। স্থানীয় কয়েকটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, তিনি সিঙাড়া কিনতে ট্রেন থেকে নেমেছিলেন। অভিযোগটি সামনে আসার পর বিষয়টি নিয়ে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করেছে রেল কর্তৃপক্ষ।
প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, ট্রেনটি চলাচলের সময় একটি অননুমোদিত স্থানে অল্প সময়ের জন্য থামে। এরপর ঘটনাটি নিয়ে যাত্রীদের একাংশের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়। পরে বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়ে এবং রেল প্রশাসনের নজরে আসে।
ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে সেই ভিডিওর সত্যতা এবং অভিযোগের সব দিক স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ফলে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে অভিযোগটিকে নিশ্চিত ঘটনা হিসেবে দেখা যাচ্ছে না।
রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিভাগীয় তদন্তে যদি প্রমাণিত হয় যে রেলওয়ের নিয়ম ভেঙে ব্যক্তিগত কারণে ট্রেন থামানো হয়েছিল, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রেল বিশেষজ্ঞদের মতে, যাত্রীবাহী ট্রেন সাধারণত নির্ধারিত স্টেশন, সিগন্যাল বা জরুরি পরিস্থিতি ছাড়া অন্য কোথাও থামানো যায় না। তাই এ ধরনের অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা গেলেও তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না। তদন্তের রিপোর্ট প্রকাশিত হলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।
প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত বিভাগীয় তদন্ত চলছিল। তদন্তে নতুন তথ্য বা রেল কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশিত হলে এই প্রতিবেদন হালনাগাদ করা হবে।
