নিজস্ব প্রতিবেদন : প্রযুক্তির এই দ্রুত অগ্রগতি দেখে অনেকেই ভাবছেন আগামী দশ বছরে জগৎ কেমন দাঁড়াবে। বিশেষজ্ঞদের পূর্বাভাস অনুযায়ী এই পরিবর্তনের গতি কমার বদলে আরও বাড়বে।
সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আসতে পারে ব্যক্তিগতকরণে। ভবিষ্যতের সহায়ক প্রযুক্তি প্রতিটি মানুষের অভ্যাস পছন্দ এবং প্রয়োজন বুঝে আলাদা আলাদাভাবে কাজ করবে। এখনকার সাধারণ চ্যাটবটের বদলে প্রতিটি ব্যক্তির নিজস্ব ডিজিটাল সহকারী থাকার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।
স্বাস্থ্যসেবায় এই প্রযুক্তির ভূমিকা আরও বিস্তৃত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। রোগ প্রতিরোধ থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত চিকিৎসা পরিকল্পনা পর্যন্ত সবকিছুতেই এর প্রভাব দেখা যেতে পারে। এমনকি বাড়িতে বসেই প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
তবে এই অগ্রগতির সঙ্গে নতুন প্রশ্নও উঠছে। নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে। তথ্যের নিরাপত্তা কীভাবে নিশ্চিত করা হবে। বিভিন্ন দেশ ইতিমধ্যে এই প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণে আইন প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে যাতে এর অপব্যবহার রোধ করা যায়।
শিক্ষা এবং কর্মক্ষেত্রেও বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। পুরনো ধাঁচের প্রশিক্ষণ পদ্ধতি বদলে গিয়ে নতুন দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার দিকে ঝুঁকবে বিশ্ব এমনটাই মনে করছেন গবেষকরা।
শেষ পর্যন্ত এই প্রযুক্তি কতটা কল্যাণকর হবে তা নির্ভর করছে মানুষ কীভাবে একে ব্যবহার করে তার ওপর। সঠিক নীতিমালা এবং সচেতন ব্যবহারের মাধ্যমে এই শক্তিশালী প্রযুক্তিকে মানবজাতির কল্যাণে কাজে লাগানো সম্ভব।
পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকারি প্রকল্প ‘বাংলার যুবসাথী’: কারা পাবেন, কত টাকা মিলবে, কীভাবে আবেদন করবেন?
